হালাল উপার্জন ও তার গুরুত্ব
হালাল উপার্জনের পরিচয়
শরীয়তের পরিভাষায়, শরীয়তসম্মত পন্থায় ব্যাবসায় বাণিজ্য , চাকরি, শ্রম বিনিয়োগ, মেধা খাটানো ইত্যাদির মাধ্যমে উপার্জন করাকে হালাল উপার্জন বলা হয়।
হালাল উপার্জনের কয়েকটি উদহারন;
সঠিক ভাবে ওজন করে পারস্পরিক সন্তুষ্টির মাধ্যমে ক্রয় - বিক্রয়
শরীয়তের বিধান লঙ্ঘন না করে চাকরি করা।
সম্পদের মালিকের নির্দেশ মোতাবেক কর্তব্য পরায়নাতার সাথে শ্রম বিনিয়োগ করা।
শিল্প - কারখানায় শ্রমিকদের হক আদাই করে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা ইত্যাদি।
হালাল উপার্জনের গুরত্ব ও উপকারিতা
আল্লাহর নির্দেশ পালন;
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে হালাল জীবিকা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা সূরা আল বাকারা এর 172 নং আয়াতে বলেছেন হে মুমিনগণ আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র জীবিকা দিয়েছি তা থেকে তোমরা খাও। আর যদি তোমরা কেবল আল্লাহর ইবাদত করতে চাও তবে তাঁর শোকর করো।
গুরুত্ত পূর্ণ ফরয ইবাদত
সব ফরয ইবাদত যেমন - সালাত, সাওম , যাকাত, হজ্জ প্রভিতির মতোই গুরুত্ব পূর্ণ ফরয ইবাদত হলো হালাল উপার্জন।
কর্মপ্রেরণা দান
যখন তোমরা ফজরের সালাত শেষ করবে তখন রুজির অনুসন্ধান না করে ঘুমাতে যাবে না ।
যে সব উপায়ে উপার্জন করা হারাম
সুদ, ঘুষ ও প্রতারণার মাধ্যমে উপার্জন
চুরি ,ডাকাতি বা ছিনতাই করা ।
ইসলামী শরীয়তে নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যাবসা
জোর পূর্বক অন্যের সম্পদ ভোগ দখল করা
কাউকে অপহরণ বা জিম্মি করে অর্থ আদায় করা।